ই পাসপোর্ট আবেদন বাতিল করার নিয়ম- e passport application cancel

ই পাসপোর্ট আবেদন বাতিল বা ডিলিট করার নিয়ম - e passport application cancel bd

ই পাসপোর্ট আবেদন বাতিল করার নিয়ম টা খুব সহজ, অনেকেই তা বুঝতে পারেনা তাই ভোগান্তিতে পরে। ই পাসপোর্ট এর আবেদন ১ বার করলে ২য় বার আর আবেদন করা যায় না ফলে এই সমস্যা থেকে বাঁচতে  ই পাসপোর্ট অনলাইন আবেদনের বাতিল বা ডিলিট করার পদ্ধতি জানা থাকলে কাজ টি সহজ হয়।

e passport application cancel - ই পাসপোর্ট আবেদন বাতিল করার নিয়ম
ই পাসপোর্ট আবেদন বাতিল করার নিয়ম - how to cancel e passport application

e passport abedon delete korbo kivabe তা নিচে বর্ননা করার সাথে ই পাসপোর্ট আবেদন ডিলিট এর ফরমেট দেওয়া হল।

ই পাসপোর্ট আবেদন বাতিল / ডিলিট করতে হয় কখন?

ই পাসপোর্ট আবেদন করেছেন এবং ফরম টি প্রিন্ট করার পরে দেখলেন তাতে ভুল আছে এমন অবস্থায় e passport application cancel করার প্রয়োজন হয়। ছোট কোন ভুল ই পাসপোর্ট আবেদন বাতিল বা ডিলিট না করেও পাসপোর্ট অফিসের কম্পিউটার অপারেটর কে বলে সমস্যার সমাধান করা যায়। তবে এটা নির্ভর করে ঐ অফিসার কেমন। 

ই পাসপোর্ট আবেদন ২০০ দিন বা ৬ মাস পর্যন্ত ভ্যালিড থাকে। e Passport application ২০০ দিন পরে অটোমেটিক ভাবেই Passport এর সার্ভার থেকে ডিলিট হয়ে যায়। তার পরে আবার পাসপোর্ট আবেদন করা যায়।


তবে যদি ই পাসপোর্ট টি আপনার জরুরী প্রয়োজন হয় তবে সে ক্ষেত্রে Passport application cancel করার জন্য ঐ অফিসের AD বরাবর লিখিত আবেদন করে ই পাসপোর্ট এর সার্ভার থেকে ক্যান্সেল করা যায়। আবেদন ক্যান্সেল হলে ই পাসপোর্ট আবেদন এর একাউন্টে ঢুকে আবেদন টি ডিলিট করে দেওয়া যায়।


ই পাসপোর্ট আবেদন ডিলিট / বাতিল করতে হয় কোন ধরনের ভুলের কারণে?

নিজের নামের বানানের ভুল, জন্মতারিখ, পিতা , মাতার নামের ভুল, NID Card এর ভুল, স্থায়ী অস্থায়ী ঠিকানা ভুল, বা অন্য যে কোন ধরনের ভুলের কারনে Passport application cancel করতে হয়। ই পাসপোর্ট আবেদন বাতিল করার পরে ই পাসপোর্ট এর একাউন্ট এ ঢুকে আবেদন টি ডিলিট করে দিতে হয় এবং তার পরে নতুন আবেদন করতে হয় সঠিক ভাবে।

ই পাসপোর্ট আবেদন বাতিল না করলে কি হবে?

e passport application cancel না করলে আগামী ৬ মাস অপেক্ষা করতে হবে নতুন ই পাসপোর্ট আবেদন করতে। এক বার ই পাসপোর্ট আবেদনে ভুল হলে  ২০০ দিন অপেক্ষা করতে হবে অথবা ই পাসপোর্ট আবেদন বাতিল করতে হবে যাতে আবেদন বাতিল করার সাথে সাথেই ই পাসপোর্ট আবেদন করা যায়।

ই পাসপোর্ট আবেদন বতিল পদ্ধতি - ই পাসপোর্ট আবেদন বাতিল করার দরখাস্ত

e passport application cancel করতে নিচে দেওয়া দরখাস্ত টি কম্পিউটারে টাইপ করে প্রিন্ট করে নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে জমা দিবেন।

How to cancel e passport application 👇

বরাবর,

সহকারী উপ-পরিচলক

আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, যশোর


বিষয়ঃ ই পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন বাতিল প্রসঙ্গে।

জনাব,

সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি মোঃ অনিক মোল্যা, পিতাঃ কাসেম মোল্যা, মাতাঃ রোজিনা খাতুন। আমি গত ০২/০৬/২০২২ তারিখে আপনার অফিসে ই পাসপোর্ট আবেদন করি। যাহার অনলাইন রেজিঃ আইডি নং OID1323254554 ...। আবেদন টিতে কিছু ভুল পরিলক্ষিত হওয়ায় উক্ত ই পাসপোর্ট আবেদন টি বাতিল করতে ইচ্ছুক।

এমতাবস্থায়, আপনার নিকট আকুল আবেদন এই যে, উপরিউক্ত সমস্যা বিবেচনা করে আমার ই পাসপোর্ট আবেদন বাতিল করতে মর্জি হয়। 


বিনীত নিবেদক


মোঃ অনিক মোল্যা

 মোবাইলঃ ০১৭১৩----



ই পাসপোর্ট আবেদন বতিল পদ্ধতি - e passport application cancel application
ই পাসপোর্ট আবেদন বাতিল করার দরখাস্ত

বিঃদ্রঃ লাল রং করা অংশে আপনার নিজের তথ্য দিয়ে পূরণ করবেন।

ই পাসপোর্ট আবেদন বাতিল এর আবেদন জমা দিলে ঐ দিনই আপনার মোবাইলে e passport application cancel বিষয়ে একটি SMS আসবে। SMS আসলে নিশ্চিত হবেন আপনার পাসপোর্ট আবেদন বাতিল করা হয়েছে।


ই পাসপোর্ট আবেদন ডিলিট পদ্ধতি

মোবাইলে ই পাসপোর্ট আবেদন বাতিল বিষয়ে SMS আসলে epassport.gov.bd সাইটে যে ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে একাউন্ট খুলেছিলেন তাতে লগইন করবেন। লগ ইন করলে আপনার আবেদনের স্ট্যাটাস ক্যান্সেল দেখাবে লাল অক্ষরে।

ই পাসপোর্ট আবেদন ডিলিট


তার পরে উপরে দেওয়া ছবির মত ডিলিট অপশন আসলে তা ডিলিট করে দিয়ে নতুন ভাবে ই পাসপোর্ট আবেদন করবেন।


ই পাসপোর্ট আবেদন ডিলিট এবং সংশোধন

অনেক সময় ই পাসপোর্ট আবেদন ডিলিট করার পরেও নতুন ভাবে ই পাসপোর্ট আবেদন করা যায় না, এটার কারণ হল সার্ভারের ত্রুটি। পাসপোর্ট আবেদন বাতিলের পরে নতুন ই পাসপোর্ট আবেদন করতে সমস্যা দেখা দিলে বার বার চেষ্টা করবেন না। সময় নিয়ে নিয়ে চেষ্টা করবেন। কখনো কখনো ৭ দিন পরে আবেদন করলে তা সঠিক ভাবে করা যায়।


ই পাসপোর্ট আবেদন বাতিল প্রসঙ্গে সাধারণ কিছু প্রশ্নের উত্তরঃ

পাসপোর্ট আবেদন বাতিল হয়েছে বুঝব কি ভাবে?

ই পাসপোর্ট আবেদন বাতিল হতে কিছুটা সময় লাগে, অফিসে কাজের চাপ থাকলে ২৪ ঘন্টাও লেগে যেতে পারে। e passport application cancel হয়ে গেলে পাসপোর্ট স্ট্যাটাস চেক এর মাধ্যমে বোঝা যায় খুব সহজেই। ই পাসপোর্ট আবেদন বাতিল হয়েছে কি না চেক করতে পাসপোর্ট আবেদন ফরমে থাকা OID নাম্বার এবং জন্মতারিখ দিয়ে দিয়ে নিচে দেওয়া চিত্রের মত অনুসরণ করুন। স্ট্যাটাস চেক করলে লাল অক্ষর দিয়ে cancel লেখা থাকবে।

e passport application cancel
ই পাসপোর্ট আবেদন বাতিল হয়েছে কি না চেক করার পদ্ধতি

পাসপোর্ট আবেদন বাতিল করলে টাকা নষ্ট হয়?

না, e passport application cancel করলে পাসপোর্ট ফি এর টাকা নষ্ট হয় না। নতুন আবেদনের সাথে পূর্বে টাকা জমা দেওয়া চালানের কপি জমা দিলেই হবে। তবে এ ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে পূর্বের পাসপোর্ট আবেদন কত পৃষ্ঠার করেছিলেন এবং সাধারণ না জরুরী করেছিলেন সেই অনুসারে নতুন আবেদন টি করতে হবে।

ই পাসপোর্ট আবেদন বাতিল করা যায় কত বার?

এক এর অধিকবার ই পাসপোর্ট আবেদন ভুল হলে তা দরখাস্তের মাধ্যমে বাতিল করা যায়।

ই পাসপোর্ট আবেদন বাতিলের দরখাস্তের সাথে কি ডকুমেন্ট লাগে?

শুধু মাত্র ই পাসপোর্ট আবেদন বাতিলের জন্য লিখিত আবেদন পত্র এবং পাসপোর্ট আবেদনের শিডিউল কপি জমা দিতে হয়।

আবেদন করার কত সময় পর ই পাসপোর্ট আবেদন টি বাতিল হয়?

এটা অফিসের কাজের চাপের উপর নির্ভর করে। সাধারণত ১ দিনের মধ্যেই কাজ টি হয়ে যায়।

আবেদন বাতিল করেছি কিন্ত নতুন আবেদন করা যাচ্ছে না কেন?

ই পাসপোর্ট আবেদন বাতিল করা হয়েছে কিন্ত নতুন আবেদন করা যাচ্ছে না এমন সমস্যা দেখা দিলে, সময় নিয়ে পুনরায় চেষ্টা করতে হবে। ৩/৪ বার চেষ্টা করার পরেও যদি নতুন আবেদন না করা যায় তবে ৭ দিন পরে আবার চেষ্টা করবেন।

NID Card এর ১ টা ডিজিট চেঞ্জ করে আবেদন করা যায়?

জী, অনেক সময় NID Card এর একটা ডিজিট চেঞ্জ করে আবেদন করা হয় ই পাসপোর্ট এ তবে এ ক্ষেত্রে ছবি তোলার সময় কপিউটার অপারেটর কে বলে সেটা সংশোধন করে নিতে হবে। তা না হলে পাসপোর্ট আটকে যেতে পারে।

পাসপোর্ট আবেদন বাতিল করার নিয়ম

পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক / AD বরাবর পাসপোর্ট আবেদন বাতিল একটু আবেদন লিখে জমা দিলেই ভুল কৃত ই পাসপোর্ট আবেদন বাতিল করা যায়।


ই পাসপোর্ট আবেদন বাতিল পদ্ধতি বা কি ভাবে দরখাস্ত করতে হয় সে সম্পর্কে যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন। e passport application cancel বা e passport abedon delete korbo kivabe তা আলোচনা করা হল এই লেখা টিতে।

আপনার মূল্যবান সময়ের জন্য ধন্যবাদ

ePassport-bd.com 

6 মন্তব্যসমূহ

  1. উত্তরগুলি
    1. ব্যাকেন্ডে ভেরিফিকেশন হল পাসপোর্ট প্রিন্ট এর আগে ফাইনাল ভেরিফিকেশন। তবে পাসপোর্ট সংশোধন থাকলে ব্যাকেন্ডে এ অনেক দিন আঁটকে থাকে পাসপোর্ট।

      মুছুন
  2. আমি ২৬ ডিসেম্বর ২০২২ এ নওগাঁ RPO তে আবেদন জমা দেওয়ার জন্য যাই। সব ঠিক থাকলেও আমার আবেদনপত্রে আমার ফোন নম্বরের লাস্ট ২ ডিজিট মিসিং। জমা দেয়ার সময় সমস্যার কথা বললাম, উনারা বললেন অপারেটর ঠিক করে দিবে না, ভুল হলে দায় দায়িত্ব আমার নিজেকে নিতে হবে, পরে জমা না নিয়ে অ্যাপ্লিকেশন বাতিল এর আবেদন করতে বললেন। জানিনা এখন কয়দিন লাগবে আবেদন ডিলিট হইতে।

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. আবেদন বাতিল হতে ১ দিনের বেশি লাগে না, আবেদন বাতিল হয়েছে কি না সেটা নিজেই চেক করে দেখতে পারেন OID নাম্বার দিয়ে।

      মুছুন
  3. আমি গত ১৬ তারিখে আবেদন করেছি।সব কিছু ঠিক থাকলে ও আমার মহল্লার নামের শেষ ডিজিটটি ভুল হয়ে গেছে এখন কি করবো বুঝতে পারছি না।

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. ১ যদি ছবি তোলা হয়ে যায় তবে পুলিশ ভেরিফিকেশন এর সময় নেগেটিভ ফিডব্যাক দিতে বলবেন। তার পরে অফিসে গিয়ে সংশোধন করে পূনরায় পুলিশ ভেরিফিকেশন এ পাঠাতে বলবেন।
      ২/ যদি পাসপোর্ট আবেদন অফিসে জমা না দেন তবে আবেদন বাতিল করতে পারেন।

      মুছুন
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
নবীনতর পূর্বতন