ই পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন করুন পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই A to Z | epassport application

ই পাসপোর্টের অনলাইন আবেদন পদ্ধতি ২০২৩ | epassport application A to Z | ePassport-bd.com



অনলাইনে ই পাসপোর্টের আবেদন করার পদ্ধতি  , e passport online application A to Z

ই পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন / ePassport application এর জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সংগ্রহের পরে ১০০% নির্ভুলভাবে e passport application form পূরন করা, ePassport করতে কি কি লাগে, পাসপোর্ট ফি জমা দেওয়ার নিয়ম, ই পাসপোর্ট স্ট্যাটাস চেক ইত্যাদি সম্পর্কে নিচে ধাপে ধাপে আলোচনা করা হল। ePassport form এ ভুল করলে আপনার পাসপোর্ট এ ভুল তথ্য আসবে। তাই নির্ভুলভাবে ই পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন করুন।


🔊 ই পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে?

🔊 ই পাসপোর্ট ফি কত?

🔊 ই পাসপোর্ট কত দিনে পাওয়া যায়?

🔊 ePassport application করার নিয়ম কি?

🔊 ই পাসপোর্ট ফি জমা দেব কি ভাবে?

🔊 ePassport application form অফিসে জমা পদ্ধিতি?

🔊 epassport application এর ছবি তুলবেন কি ভাবে?

🔊 ই পাসপোর্ট ডেলিভারি স্লিপ সংগ্রহ

🔊 পুলিশ ভেরিফিকেশন কি ভাবে করব?

🔊 ই পাসপোর্ট চেক করার নিয়ম

🔊 ই পাসপোর্ট সংগ্রহ

🔊 ePassport application বাতিল করার নিয়ম



💢e Passport করতে কি কি লাগে?


ePassport করতে লাগে

⇒ ePassport application ফরমের প্রিন্ট কপি

পাসপোর্ট ফি প্রদানের রসিদ

NID এর মূল কপি এবং ফটোকপি

পূর্বে যদি MRP Passport থাকে তার মূল কপি এবং ফটোকপি

জন্মনিবন্ধন সনদ ও বাবা, মা এর NID ( বয়স ১৮ এর নিচে হলে)

০৬ বছরের নিচে যাদের বয়স তাদের ক্ষেত্রে ১ টি পাসপোর্ট  সাইজ ছবি এবং 3R সাইজ ছবি

আবেদনকারী ১৫ বছরের নিচে হলে পিতা, মাতার পাসপোর্ট সাইজ ছবি

স্থায়ী ঠিকানা, বৈবাহিক অবস্থা, পেশা পরিবর্তন হলে তার স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস 


( ই পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে, আরো বিস্তারিত তথ্য জানুন এখনে )


💢ই পাসপোর্ট ফি কত? / e passport fee 


ই পাসপোর্টের ফি নির্ধারন হয় ePassport বই এর পৃষ্ঠার পরিমাণ, মেয়াদ, এবং পাসপোর্ট পাপ্তির সময়ের উপর নির্ভর করে।  


e Passport
Fee
সাধারণ e Passport fee এর পরিমাণ
৪৮ পৃষ্ঠা৬৪ পৃষ্ঠা
পাসপোর্টের ধরণ০৫ বছর মেয়াদী১০ বছর মেয়াদী০৫ বছর মেয়াদী১০ বছর মেয়াদী
নিয়মিত৪,০২৫ ৳৫,৭৫০ ৳৬,৩২৫ ৳৮,০৫০ ৳
জরুরী৬,৩২৫ ৳৮,০৫০ ৳৮,৬২৫ ৳১০,৩৫০ ৳
অতি জরুরী৮,৬২৫ ৳১০,৩৫০ ৳১২,০৭৫ ৳১৩,৮০০ ৳

বিভিন্ন আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে অতিব জরুরী পাসপোর্ট প্রদান বন্ধ থাকতে পারে, আবেদনের পূর্বে অফিসে ফোন করে নিশ্চিত হয়ে নিবেন

( আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে ফোন নাম্বার, ইমেইল, লোকেশন এখানে )



💢 ই পাসপোর্ট কত দিনে পাওয়া যায়? / e passport delivery time


e passport application এর পর তার ধরণ অনুসারে ডেলিভারি সময় নির্ধারন হয়। 

নিয়মিত পাসপোর্ট ২১ দিন,

জরুরী পাসপোর্ট ১০ দিন

অতীব জরুরী পাসপোর্ট ২ দিনে পাওয়া যায়।


তবে জরুরী ছুটি, অধিক পাসপোর্টের চাপ, প্রিন্টিং মেশিনের টেকনিক্যাল ত্রুটির কারনে অযাতিত ভাবে কখনো কখনো দেরী হতে পারে।


💢 e passport application করার নিয়ম


ই পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন করার নিয়ম সমূহ ধাপে ধাপে বর্ননা করা হল, যা মেনে চললে নিজের পাসপোর্ট নিজেই করতে পারবেন ( ঘুস এবং দালালের পিছে ঘুরতে হবে না)


প্রথমে নিশ্চিত হয়ে নিবেন আপনার জেলা / নিকটস্থ পাসপোর্ট অফিসে ই পাসপোর্ট চালু হয়েছে কি না। ( চালুকৃত  পাসপোর্ট অফিসে তালিকা এখানে )



>> Passport application শুরু তে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট এবং আপনার নিজের একটি ইমেইল প্রস্তুত রাখুন।

বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট পোর্টালে বা e passport online application form পেতে নিচের লিংক এ প্রবেশ করুন। https://www.epassport.gov.bd/onboarding


💥 ১ম ধাপে দেশের মধ্য থেকে আবেদন করলে YES বাটনে টিক দিয়ে নিচে জেলা এবং থানা উল্লেখা করে পরের ধাপে এগিয়ে যেতে হবে। 


💥 ২য় ধাপে আপনার ইমেইল টি দিয়ে হিউম্যান ভেরিফিকেশন করে কন্টিনিউ বাটনে চাপ দিন।


💥 ৩য় ধাপে একাউন্ট তৈরির জন্য ৬ ডিজিটের একটি পাসওয়ার্ড তৈরি করুন ( ছোট হাতের, বড় হাতের, সংখ্যা, এবং বিশেষ কোন চিহ্ন সহকারে একটি শাক্ত পাসওয়ার্ড তৈরি করুন )


নিচের ব্যাক্তিগত তথ্যে যেখানে Full Name আছে সেখানে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র (NID) অথবা জন্মনিবন্ধন সনদ ( BRC ) অনুসারে সম্পূর্ন নাম লিখে দিবেন ।


Given Name এ দিবেন আপনার নামের প্রথম অংশ ( নামে ৩ টা অংশ থাকলে যেমনঃ MST SAHIDA BEGUM এমন হলে প্রথম ২ অংশ Given Name এ দিবেন)


নামের মধ্যে ডট ( . ) , ড্যাশ ( - ) , মৃত পিতা মাতার নামের আগে ( Late ), কোন পদবী ( Dr. Ing. ) লেখা যাবে না।


Surname এ দিবেন আপনার বংশগত নাম বা নামের শেষ অংশ। তার নিচে দেশের নাম এবং ফোন নাম্বার। ( যদি দেশের বাইরে থাকে আবেদন করেন সে ক্ষেত্রে ঐ দেশের নাম এবং আপনার ফোন নাম্বার)


💥 ৪র্থ ধাপে একাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে এবং বাংলাদেশ e Passport পোর্টালে থেকে আপনার ইমেইল এ একটি ভেরিফিকেশন লিংক পাঠাবে যাতে ক্লিক করে ভেরিফাই করে, ই-পাসপোর্ট পোর্টালে দেওয়া ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করবেন।


Passport Type অপশনঃ


লগইন করে Apply for a new e‑Passport এ গিয়ে epassport application শুরু করবেন

Passport Type হবে আপনি যে ধরনের পাসপোর্ট আবেদন করতে চান সেটা। সরকারী চাকুরি যারা করেন তাদের জন্য Official Passport এবং অন্য সকলের জন্য Ordinary Passport । রেডিও বাটনে ক্লিক দিয়ে নির্দিষ্ট  দিবেন যে পাসপোর্ট আপনি নিবেন। 

Official Passport পাসপোর্ট এর ক্ষত্রে অবশ্যই আপনার NOC/GO থাকতে হবে। অফিসিয়াল পাসপোর্টের জন্য পেমেন্ট প্রয়োজন কি না সেটাও সিলেক্ট করে দিবেন নিচে থাকা রেডিও বাটন থেকে


Personal Information অপশনের মধ্যে


নিজের জন্য পাসপোর্ট করলে i apply for myself এ ক্লক দিবেন, অন্যের জন্য হলে ক্লিক দেওয়া লাগবে না। নিজের জন্য হলে i apply for myself ক্লিক দিলে পূর্বে একাউন্ট করতে গিয়ে যে তথ্য দিয়েছেন তা অটোমেটিক শো করবে। 


Select gender ( এখানের ড়্রপ ডাউন থেকে আপনার লিঙ্গ সিলেক্ট করুন)


Full name ( NID / BRC অনুসারে সম্পূর্ন নাম দিন )


Given name ( নামের প্রথম অংশ, নামে যদি ৩ টি অংশ থাকে তবে প্রথম ২ টি এখানে )


Surname ( নামের শেষ অংশ )


Select profession ( আপনার পেশা সিলেক্ট করুন )


Select religion ( ধর্ম )


Select country code ( কোন প্রবাসী যে দেশে থাকবে তার নাম সিলেকট করবেন)


Mobile number ( ফোন নাম্বার দিয়ে নিচের বক্সে টিক দিন তাতে SMS এর মাধ্যমে পাসপোর্টের অবস্থা জানা যাবে) 


Select country of birth ( যে দেশে আপনি জন্মেছেন তার নাম)


Select district of birth ( জন্ম জেলা, আপনার NID, BRC অনুসার )


Select date of birth ( জন্ম তারিখ, পাশে থাকা ক্যালেন্ডার থেকে প্রথমে বছর > মাস > দিন সিলেক্ট করবেন)


Citizenship information ( বাংলাদেশে জন্ম হলে BY BIRTH দিবেন। যদি বিবাহ সুত্রে , নাগরিক্ত গ্রহণের মত কিছু হয় সেটা উল্লেখ করবেন) 


কমপ্লিট হলে সেভ এন্ড কন্টিনিউ তে ক্লিক করবেন


Address অপশনে 

Permanent address অপশনে আপনার স্থায়ী ঠিকানা ক্রমান্বয়ে প্রদান করবেন। যেমনঃ District > City/Village/House > Road/Block/Sector যদি থাকে > Post office > Police station



Present address অপশনে আপনার বর্তমান ঠিকানা প্রদান করবেন। যদি স্থায়ী এবং বর্তমান ঠিকান একই হয় তবে নিচের বক্সে টিক দিয়ে রাখলেই হবে। 


epassport application এর ক্ষেত্রে আপনার বর্তমান ঠিকানাতেই পুলিশ ভেরিফিকেশন এবং ঐ ঠিকানার আন্ডারে যে RPO / Regional Passport Office আছে সেখানে পাসপোর্ট করতে হবে। অন্যথায় আপনার পাসপোর্ট আবেদন বাতিল করে দেবে ঐ পাসপোর্ট অফিস।


নিচে Available Regional Passport Office and Bangladesh Mission আছে, যদি দেশের বাইরে থেকে পাসপোর্ট করতে হয় সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশ মিশনে এর অপশনে ক্লিক করতে হবে


শেষে সেভ এন্ড কন্টিনিউ


ID Documents অপশনে

পূর্বের কোন পাসপোর্ট আছে কি না তা উল্লেখ করতে হবে। MRP, ePassport থাকলে ঐ অপশনে ক্লিক করলে পূর্ববর্তী পাসপোর্টের তথ্য প্রদান করতে হবে। Reissue reason অপশনে কি কারনে রি ইস্যু করছেন তা উল্লেখ করবেন। তার নিচে পূর্ববর্তী পাসপোর্ট নাম্বার , ইসু ডেট, এক্সপায়ার ডেট উল্লেখ করবেন


যদি পাসপোর্ট না থাকে অথবা হাতে লেখা পাসপোর্ট থাকে তবে NO অপশনে ক্লিক করে নিচে NID নাম্বার দিয়ে সেভ এন্ড কন্টিনিউ করবেন।


Do you have passports of other countries ? এই অপশন টি যারা বাংলাদেশে নাগরিকত্ব নিয়েছেন এমন লোকের ক্ষত্রে প্রযোজ্য।


Parental information অপশনে

Father information ( পিতার নাম, NID কার্ড অনুসারে  )


Select profession ( পিতার পেশা, পিতা মৃত হলে OTHER সিলেক্ট করতে হয়)


Nationality ( জাতীয়তাঃ বাংলাদেশ, বিদেশী হলে ঐ দেশের জাতীয়তা) 


National ID No ( জাতীয় পরিচয় পত্র নাম্বার অপশনাল, দিলেও চলে না দিলেও চলে, তবে অপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে দিতে হবে)


Mother information ( পিতার তথ্যের অনুরূপ )


Guardian information ( এটা শুধু মাত্র অপাপ্তদের জন্য যাদের বাবা মা বেঁচে নেই অথবা দত্তক নেওয়া অথবা বাবা মায়ের অবর্তমানে যে অবিভাবক তার তথ্য)


Spouse Information অপশনে


বৈবাহিক অবস্থা সিঙ্গেল দিবেন যাদের বিয়ে হয়নি। যাদের বিয়ে হয়েছে তারা ম্যারিড দিবেন

বৈবাহিক অবস্থার পরিবর্তন হলে সেই অনুসারে তথ্য দিবেন। 


Emergency contact অপশনে


জরুরী প্রয়োজনে যার সাথে যোগাযোগ করা হবে তার তথ্য ফোন নাম্বার সহ পূরণ করবেন। 


Passport options অপশনে


এখানে পাসপোর্টের পৃষ্ঠা এবং মেয়াদ উল্লেখ করতে হয়। 

১৭ বছরের নিচে এবং ৬৫ বছরের বেশী বয়সীদের  জন্য ৪৮ পৃঠার ৫ বছর মেয়াদী ই পাসপোর্ট প্রদান করা হয়।  ১৮ বছরের উপর থেকে ৬৫ বছরের নিচে সকলের ক্ষেত্রে ১০ বছর মেয়াদী ৪৮ এবং ৬৪ পৃষ্ঠার ই পাসপোর্ট বই প্রদান করা হয়।


Delivery Options & Appointment অপশনে


এখানে আপনি e passport application জমা দেওয়ার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে পারবেন। অনেক পাসপোর্ট অফিসে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার প্রয়োজন হয় না। আবার ব্যস্ত পাসপোর্ট অফিসে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার প্রয়োজন হয়। সে ক্ষেত্রে  নিচে ক্যালেন্ডার থেকে আপনার প্রয়জনীয় ডেট টি সিলেক্ট করতে পারেন। 


নিচে ডেলিভারি অপশন এর মাধ্যমে কত দিনে পাসপোর্ট ডেলিভারি নিতে চান সেটা সিলেক্ট করুন

Regular delivery পাওয়া যায় ১৫ কর্ম দিনে

Express delivery পাওয়া যায় ৭ কর্ম দিনে


সর্ব শেষ আবার সেভ এন্ড কন্টিনিউ তে ক্লিক করুন


ক্লিক করলে ই পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন এ আপনার প্রদত্ত সব তথ্য দেখতে পাবেন ফাইনাল রিভিউ এর জন্য। একবার সাবমিট করে দিলে আর এডিট করা যাবে না। তাই শান্ত ভাবে সম্পূর্ন তথ্য যাচাই করুন। 


সব কিছু ঠিক থাকলে আবেদনের নিচে  Confirm and proceed to payment অপশনে ক্লিক করুন


Please select a payment option এ এসে আপনার সুবিধা মত অনলাইন পাসপোর্ট ফি এবং অফলাইন পাসপোর্ট ফি দুই ভাবেই ePassport fee প্রদান করতে পারবেন।


অনলাইন ফি প্রদানের পর অথবা অফলাইন ফি প্রদানের পর নিচের কন্টিনিউ বাটনে ক্লিক করে 


Application submitted অপশন

এখান থেকে অনলাইন ই পাসপোর্ট এর ফরম এবং সামারি ফরম পেয়ে যাবেন

 Print Summary  এবং  Download Application Form for Printing নামে ২ টি অপশন থেকে e passport online application form এর PDF ফরম ডাউনলোড করে নিন এবং প্রিন্ট করে কাছে রাখুন



💢 ই পাসপোর্ট ফি জমা দেব কি ভাবে ? / How do I pay for my ePassport in BD?


ই পাসপোর্ট ফি ২ ভাবে দেওয়া যায় । ১ অনলাইনে , ২ অফলাইনে


অনলাইনেঃ 

বিভিন্ন ব্যাংকের ডেবিট এবং ক্রেডিট কার্ড, ভিসা কার্ড, মাস্টার কার্ড, আমেরিকান এক্সপ্রেস,  DBBL Nexus, বিকাশ, রকেট , নগদ, ওকে ওয়ালেট, ইউপে, ব্যাংক এশিয়ে ইন্টারেন্ট ব্যাংকিং, ডিমানি। 


অফলাইনেঃ

বাংলাদেশের সকল সরকারী ও বেসরকারি ব্যাংকে এ চালানের মাধ্যমে ePassport application এর ফি জমা দেওয়া যায়।


( পাসপোর্ট ফি অনলাইন এবং অফলাইনে কি ভাবে দিতে হয় তার বিস্তারিত ছবি এবং ভিডিও এখানে) 



💢 ই পাসপোর্ট আবেদন ফরম অফিসে জমা দিবেন যেভাবে / How to submit e-passport application


যদি এপয়েন্টমেন্ট ডেট নেওয়া থাকে তাহলে ঐ দিন সকালে গিয়ে লাইনে দাঁড়াবেন এবং অফিসের সামনে বসে থাকা আনসার সদস্য অথবা রিসিপশনে থাকা ব্যাক্তিটি আপনাকে বলে দিবে কোন কাউন্টারে জমা দিতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজ পর পর সাজিয়ে দিবেন নিচে দেওয়া নিয়ম অনুসারে।


- ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়া রশিদ ( এ চালান ফরম)

- এপয়েন্টমেন্ট ফরম

- epassport application form ( কোন কোন অফিসে এটি লাগে না, তবে সাথে নেওয়া উচিৎ মনে করি)

- জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্মনিবন্ধন এর ফটোকপি ( মূল কপি সাথে নিবেন ) 

- পেশা প্রমানের ডকুমেন্ট ( কোন কোন অফিসে এটি লাগে না, তবে সাথে নেওয়া উচিৎ মনে করি)

- পূর্ববর্তী পাসপোর্টের ফটোকপি ( মূল কপি সাথে নিবেন)

- নাগরিক সনদ ( মূল কপি )


💢 ই পাসপোর্ট আবেদনে ছবি তুলবেন কি ভাবে ? / Take pictures in e-passport application


ছবি তোলার সময় কপালে টিপ থাকবে না, সাদা পোশাক পরে যাওয়া যাবে না, চুলে তেল না দিয়ে শ্যাম্পু করে যাবেন। সুন্দর পোশাক পরে সেভ হয়ে যাবেন। যারা দাঁড়ি রাখেন তাদের কথা ভিন্ন।


💢 ই পাসপোর্ট ডেলিভারি স্লিপ সংগ্রহ / Collect e passport delivery slip


epassport application গ্রহণ কাউণ্টার থেকে প্রাথমিক ভেরিফিকেশন শেষে নির্দিষ্ট রুমে যেতে বলবে ফিঙ্গার, আইরিশ স্ক্যান এবং ছবি তোলার জন্য। পাসপোর্ট আবেদন ফরমে কোন ভুল থাকলে  ডাটা এনরোল করার সময় বললে সমস্যা সমাধান করে দেবে। এবং সব শেষে আপনাকে একটি ডেলিভারি স্লিপ ধড়িয়ে দেবে। 


ডেলিভারি স্লিপে পাসপোর্ট ডেলিভারির সম্ভাব্য তারিখ উল্লেখ থাকবে এবং আপনার সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য থাকবে। অফিস ত্যাগ করার পূর্বে ঐ ডেলিভারি স্লিপ টি ভালভাবে পড়ে দেখবেন, যদি কোন ভুল থাকে তবে ঐ অফিসারে কাছে গিয়ে বলে সমাধান করে নিয়ে আসবেন।


💢 পুলিশ ভেরিফিকেশন কি ভাবে করব ? / Police verification for ePassport bd


e passport application জমা দেওয়ার ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ফোন দিবে আবেদনে উল্লেখ করা পুলিশ ষ্টেশন ( SB OFFICE ) থেকে। অথবা জরুরী ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন হলে আপনি নিজেই ডেলিভারি স্লিপ সহকারে অফিসে গিয়ে দেখা করে আসতে পারেন। 


পুলিশ আপনার বাড়িতে আসতেও পারে আবার না এসে আপনাকে দেখা করার কথা বলতে পারে। পুলিশ ষ্টেশনে / SB OFFICE এ যাওয়ার সময় নিচের ডকুমেটস নিয়ে যাবেন। অথবা ঐ অফিস্যার ফোন দিয়ে যে যে ডকুমেন্ট নিয়ে যেতে বলে সে গুলো নিয়ে যাবেন

- বিদ্যুৎ / ইউটিলিট বিলের কাগজ

- নাগরিক সনদ

- জাতীয় পরিচয় পত্র

- ১৮ বছরের নিচে লোকের ক্ষত্রে বাবা মায়ের NID কার্ড এবন ঐ লোকের জন্মসনদ

- জমির পর্চা / ভাড়া ফ্লাটের ডমুমেন্ট ( মাঠ / বাড়ি )

- পেশা প্রমাণের ডকুমেন্টস 


ব্যাক্তি ভেদে চাওয়া ডকুমেন্টের ভিন্নতা হতে পারে। পুলিশ ভেরিফিকেশন করার পরে আপনার ফোনে SMS আসবে। পুলিশ রিপর্ট পজেটিভ / নেগেটিভ। ভেরিফিকেশন হয়ে গেলে অপেক্ষার পালা।



💢 ই পাসপোর্ট চেক করার নিয়ম / e passport status check


e passport হয়েছে কিনা জানতে নিচের ধাপ গুলো অনুসরন করলেই হবে

- ই পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন এর সময় যে ফোন নাম্বার ব্যাবহার করেছেন তাতে SMS আসবে। 

- ডেলিভারি স্লিপের নিচে দেওয়া নির্দেশনা মেনে SMS করে পাসপোর্টের অবস্থা জানতে পারবেন।

- ই পাসপোর্ট ওয়েবসাইটে “ ই পাসপোর্ট স্ট্যাটাস চেক অপশনে গিয়ে দেখতে পারবেন ”

- ই পাসপোর্ট ওয়েবসাইটে যে আইডি পাসওয়ার্ড দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন সেখানে লগইন করে দেখতে পারবেন। 



💢 ই পাসপোর্ট সংগ্রহ / Collect Passport from the regional passport office


পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে অফিসে যাওয়ার আগে অনলাইন ই পাসপোর্ট স্ট্যাটাস চেক অপশন থেকে নিশ্চিত হয়ে নিবেন আপনার পাসপোর্ট টি অফিসে এসেছে কি না। 


পাসপোর্ট বই অফিসে আসলে ডেলিভারি স্লিপে উল্লেখিত দিন অথবা তার পরে অফিস চলাকালীন যে কোন দিন সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা এর মধ্যে নিজে উপস্থিত হয়ে পাসপোর্ট নিয়ে আসবেন। ই পাসপোর্ট ডেলিভারি স্লিপ হারিয়ে গেলে জিডি করতে হয়।


সাধারণত একজনের পাসপোর্ট অন্য জনের কাছে দেওয়ার হয় না। যদি পাসপোর্ট আবেদন কারী অসুস্থ হয় বা অফিসে আসার মত অবস্থা না থাকে তবে AD বরাবর আবেদন করতে হয় একজনের পাসপোর্ট অন্য জন কে দেওয়ার সুপারিশ করে।  

(একজনের পাসপোর্ট অন্য জন নিতে Passport authorization letter ফরম্যাট এখানে)



💢 ই পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন বাতিল করার নিয়ম / How to cancel e passport application


e passport application একবার আবেদন করা হয়ে গেলে ২য় বার আর আবেদন করা যায় না। ২য় বার আবেদন করতে হলে ৬ মাস অপেক্ষা করতে হয়। সে ক্ষেত্রে পূর্বের ভুল আবেদন টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আবেদন করে তা ক্যান্সেল করতে হয়। আবেদন ক্যান্সেল হলে যে একাউন্ট থেকে আবেদন করা হয়েছিলো সেখানে লগইন করে ডিলিট করে দিতে হয়। 


( ই পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন বাতিল করার আবেদনের ফরম্যাট এখানে )



উপরের আলোচনা থেকে আপনারা জানতে পারবেন  epassport application, e passport status check, e passport fee, ই পাসপোর্টের ভুল সংশোধন পদ্ধতি, পুলিশ ভেরিফিকেশন কি ভাবে হয় ইত্যাদি। 



💦 যদি কোন তথ্য বুঝতে অসুবিধা হয় অথবা আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে তাহলে নিচে কমেন্ট করে জানান। 💦

💦 লেখা টি ভাল লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না। 💦

💦 আপনার মূল্যবান সময়ের জন্য ধন্যবাদ। 💦

epassport-bd.com



4 মন্তব্যসমূহ

  1. পাসপোর্ট এর নিয়মিত বিতরণ/জরুরি বিতরণ/অতীব জরুরি বিতরণ
    এগুলো সম্পর্কে কেউ আমাকে প্লিয বুঝিয়ে দেবেন?😔

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. নিয়মিত বিতরণে ২১ দিনে পাসপোর্ট ডেলিভারি পাওয়া যায়।
      জরুরী তে ৭ দিনে এবং
      অতি জরুরী তে ৩ দিনে পাসপোর্ট ডেলিভারি পাওয়া যায়।

      যত কম দিনে পাসপোর্ট ডেলিভারি নিতে চাইবেন সেটা অনুযায়ী খরচ বাড়বে।

      মুছুন
  2. e passport এর আবেদন এর সময় তথ্য ভুল হয়েছে ,যেহেতু অনলাইনে পেমেন্ট করেছি সেজন্য টাকা ফেরত না পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি ,যদি কেন্সেল\ডিলিট করি।এক্ষেত্রে কিভাবে কি করবো?

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. ই পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন বাতিল করার জন্য একটা দরখাস্ত লিখে নিয়ে অফিসে জমা দিলে ১২ ঘন্টা পরে ই পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।

      *** আবেদন বাতিল না করে অফিসের AD র সাথে কথা বলে যদি সমস্যা সমাধান হয় তাহলে আপনার টাকা গুলো নষ্ট হবে না।

      মুছুন
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
নবীনতর পূর্বতন